ব্রেকিং নিউজ
১২৫
🥲
ফটোকার্ড
ই-পেপার
ফেসবুক ম্যাসেঞ্জার হোয়াটসএপ
প্রিন্ট
কপি লিংক

শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান জানালেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

প্রকাশ: ১০ জুলাই, ২০২৬ ক্যাটেগরি: জাতীয়
একটি জাতির ভবিষ্যৎ গড়ে ওঠে তার শিক্ষাব্যবস্থার ভিত্তির ওপর। তাই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষা প্রশাসন এবং সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান এমপি।

গত ৬ জুলাই টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলা হলরুমে আয়োজিত “প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে শিক্ষকগণের সঙ্গে মতবিনিময় সভা”-য় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার শিক্ষার সার্বিক উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্বারোপ করেছে এবং নানামুখী কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। সদ্য পাস হওয়া ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী জানান, শিক্ষা খাতে বরাদ্দ মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ২ শতাংশে উন্নীত করা হয়েছে—যা গত অর্থবছরে ছিল জিডিপির ১ দশমিক ৩৯ শতাংশ। তিনি আরও বলেন, সরকার নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।

অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান বলেন, সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমন পরিবেশ ও শিক্ষার মান নিশ্চিত করতে হবে, যাতে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠিয়ে যুগোপযোগী সুশিক্ষার বিষয়ে নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন। জনগণ সরকারি প্রাইমারি এবং হাই স্কুলকে তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন মনে করে এবং এর মান উন্নত হলেই জাতির শিক্ষা ব্যবস্থার সামগ্রিক উন্নয়ন ঘটবে।

শিক্ষকদের দায়িত্বশীলতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে মন্ত্রী হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, সরকার কর্তৃক এত সুযোগ-সুবিধা প্রদানের পরও যদি শিক্ষার মানোন্নয়ন না হয়, কোনো শিক্ষার্থী যদি ঝরে পড়ে বা মাদকাসক্ত হয়, তবে এর দায়-দায়িত্ব শিক্ষকগণকেই নিতে হবে।

তিনি নির্দেশনা দেন যে, প্রতি সপ্তাহে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিক্ষার্থীদের নিয়ে প্রতিটি ক্লাসের শিক্ষার মান বিষয়ক পর্যালোচনা সভা এবং প্রতি মাসে অভিভাবকদের নিয়ে মতবিনিময় সভা করে তার ফলাফল মন্ত্রীকে অবহিত করতে হবে। পাশাপাশি মন্ত্রী মহোদয় নিজেও শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রতি তিন মাসে একবার তাঁর নির্বাচনী এলাকা বাসাইল-সখীপুরের সকল প্রাইমারি ও হাইস্কুলের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের সাথে প্রগতি পর্যালোচনা সভা করবেন।

মন্ত্রী পরিশেষে শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, দেশপ্রেম, মানবিক মূল্যবোধ এবং আধুনিক জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে দক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষকদের আন্তরিক ও দায়িত্বশীল ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

পাঠকের মন্তব্য (৬)

শরীফ

গক গক গক

শাহীন

ওকে

ওকে

ওকে

???

????

????

??????

আপনার মন্তব্য লিখুন:

Preview
১০ জুলাই, ২০২৬
শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান জানালেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী
somoyerpotrika.com
১০ জুলাই, ২০২৬ | জাতীয়

শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান জানালেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

একটি জাতির ভবিষ্যৎ গড়ে ওঠে তার শিক্ষাব্যবস্থার ভিত্তির ওপর। তাই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষা প্রশাসন এবং সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান এমপি। গত ৬ জুলাই টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলা হলরুমে আয়োজিত “প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে শিক্ষকগণের সঙ্গে মতবিনিময় সভা”-য় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার শিক্ষার সার্বিক উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্বারোপ করেছে এবং নানামুখী কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। সদ্য পাস হওয়া ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী জানান, শিক্ষা খাতে বরাদ্দ মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ২ শতাংশে উন্নীত করা হয়েছে—যা গত অর্থবছরে ছিল জিডিপির ১ দশমিক ৩৯ শতাংশ। তিনি আরও বলেন, সরকার নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান বলেন, সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমন পরিবেশ ও শিক্ষার মান নিশ্চিত করতে হবে, যাতে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠিয়ে যুগোপযোগী সুশিক্ষার বিষয়ে নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন। জনগণ সরকারি প্রাইমারি এবং হাই স্কুলকে তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন মনে করে এবং এর মান উন্নত হলেই জাতির শিক্ষা ব্যবস্থার সামগ্রিক উন্নয়ন ঘটবে। শিক্ষকদের দায়িত্বশীলতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে মন্ত্রী হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, সরকার কর্তৃক এত সুযোগ-সুবিধা প্রদানের পরও যদি শিক্ষার মানোন্নয়ন না হয়, কোনো শিক্ষার্থী যদি ঝরে পড়ে বা মাদকাসক্ত হয়, তবে এর দায়-দায়িত্ব শিক্ষকগণকেই নিতে হবে। তিনি নির্দেশনা দেন যে, প্রতি সপ্তাহে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিক্ষার্থীদের নিয়ে প্রতিটি ক্লাসের শিক্ষার মান বিষয়ক পর্যালোচনা সভা এবং প্রতি মাসে অভিভাবকদের নিয়ে মতবিনিময় সভা করে তার ফলাফল মন্ত্রীকে অবহিত করতে হবে। পাশাপাশি মন্ত্রী মহোদয় নিজেও...
বিস্তারিত পড়তে ভিজিট করুন: somoyerpotrika.com